খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনায় ইরানে লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছেন
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনায় ইরানে লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছেন।
রোববার (১ মার্চ) ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রকাশ করা এক ভিডিও বার্তায় এই বিষয়ে জানা গেছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির সম্মানে ঘোষিত রাষ্ট্রীয় শোকের শুরুর দিন আজ রোববার রাজধানী তেহরান, মধ্যাঞ্চলীয় ইয়াসুজসহ বিভিন্ন শহরে মানুষ সমবেত হন। শোক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ভিডিওতে শোকাতুর মানুষের অনেককে বিলাপ করতে দেখা যায়।
তেহরান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের লোরেস্তান প্রদেশেও একই ধরনের শোকাবহ দৃশ্য দেখা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় গতকাল শনিবার সকালে ইরানের রাজধানী তেহরানে নিজ কার্যালয়ে নিহত হন খামেনি।
খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে ইরান। বিবিসির খবরে বলা হয়, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ইরানে ১ মার্চ থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
গতকাল সকালে ইরানজুড়ে তীব্র হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। জবাবে ইসরায়েলসহ উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ, বিপ্লবী গার্ডের কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুরেরও নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলা চালানোর পেছনে তিনটি লক্ষ্যের কথা বলেছেন। প্রথমত, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেছেন, আসন্ন হুমকি নির্মূল করা। দ্বিতীয়ত, ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও নৌবাহিনীকে ধ্বংস করা। তৃতীয়ত, ইরানে শাসকগোষ্ঠীর পরিবর্তন।
সূত্র: আল–জাজিরা ও ডন


আপনার মতামত জানান