সোনারগাঁয়ের কৃতি সন্তান মিরাজ ব্যারিস্টার হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান
নিজস্ব প্রতিবেদক
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার চরগোয়ালদী গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবক ডাঃ মোজাম্মেল হকের সুযোগ্য সন্তান যুবায়ের হাসান মিরাজ বাংলাদেশ আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (BAIUST)-এ আইন বিষয়ে অনার্স শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তার এই সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। যুবায়ের হাসান মিরাজ দুই ভাইয়ের মধ্যে বড়। তার বাবা মোঃ মুজাম্মেল হক একজন ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক এবং মা মিসেস ফরিদা চৌধুরী একজন গৃহিণী।

মিরাজ তার শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জনের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি তাহেরপুর হাজী লালমিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ড. মাহাবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর উচ্চশিক্ষায় আইন বিষয়ে পড়ার সুযোগ তার ভবিষ্যৎ স্বপ্নকে আরও এগিয়ে দিয়েছে।
নিজের এই সাফল্যের কৃতিত্ব বাবা-মাকে উৎসর্গ করে মিরাজ জানান, তার বাবা-মা শুধু তার লেখাপড়ার বিষয়েই গুরুত্ব দেননি; পড়াশোনার পাশাপাশি জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বাড়ানোর জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে তাকে ঘুরতে নিয়ে যেতেন। সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়তে তারা নিজেদের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। মা-বাবার ভালোবাসা, ত্যাগ ও অনুপ্রেরণাই তার পথচলার অন্যতম শক্তি বলে মনে করেন তিনি।
আইন বিষয়ে পড়ার সুযোগ পাওয়ায় মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেছেন মিরাজ। একই সঙ্গে তার এই অর্জনের পেছনে যারা তাকে সহযোগিতা ও উৎসাহ দিয়েছেন, তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তার শিক্ষাজীবনের এই অর্জনকে তারা মিরাজের অধ্যবসায়, পরিবারের সহযোগিতা ও শিক্ষকদের দিকনির্দেশনার ফল হিসেবে দেখছেন। ভবিষ্যতে মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে আরও ভালো করবে—এমন প্রত্যাশা সকলের। আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে ব্যারিস্টার হওয়ার স্বপ্ন দেখেন যুবায়ের হাসান মিরাজ।
নিজের পেশাগত সফলতার পাশাপাশি মা-বাবার মুখে হাসি ফোটাতে চান তিনি। একই সঙ্গে নিজ এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। মিরাজের আরেকটি স্বপ্ন—ছোট ভাই ইরতিজা হুসাইন মেহরাবকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলা এবং তার ভবিষ্যৎ পথচলায় পাশে থাকা।
নিজের ভবিষ্যৎ স্বপ্ন পূরণ ও উচ্চশিক্ষার এই নতুন যাত্রায় চরগোয়ালদীসহ সোনারগাঁওয়ের এলাকাবাসী, শিক্ষক, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দোয়া ও শুভকামনা চেয়েছেন যুবায়ের হাসান মিরাজ। তার এই সাফল্য শুধু পরিবারের জন্য আনন্দের নয়, বরং নিজ গ্রামের তরুণদের জন্যও অনুপ্রেরণার একটি দৃষ্টান্ত।


আপনার মতামত জানান