সাংবাদিকের উপর হামলা: জামালপুরে কাউন্সিলর কারাগারে

প্রকাশিত

সাংবাদিক মোস্তফা মনজুর উপর হামলার ঘটনায় জামালপুর পৌরসভার কাউন্সিলর হাসানুজ্জামান খান রুনুসহ আটজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

বুধবার জামালপুরের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সোলায়মান কবীর এ আদেশ দেন।

জামালপুর আদালত পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল কাদের মিয়া জানান, দুপুরে মামলার ৫ নম্বর আসামি রাকিব খান ছাড়া বাকি আট আসামি আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানান।

আবেদনের শুনানি শেষে আদালত আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

কারাগারে যাওয়া অপর সাত আসামিরা হলেন জামালপুর শহরের পাথালিয়ার উকিল মিয়া, দেওয়ানপাড়ার তুহিন খান, স্বজন খান, সিদ্দিক মন্ডল, আলমগীর বাচ্চু, দলিল লেখক হাবিবুর রহমান ও তুষার খান।

পরিদর্শক কাদের মিয়া আরও জানান, আদালতের আদেশের পর বেলা পৌনে ৩টার দিকে কাউন্সিলর হাসানুজ্জামান খান রুনুসহ আট আসামিকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, গত ২৮ মে দুপুরে জামালপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয় প্রাঙ্গণে জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে জমির দলিল নিবন্ধনের তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিক মোস্তফা মনজুর উপর সন্ত্রাসী হামলা হয়। এই হামলার ঘটনায় সাংবাদিকসহ জামালপুরের বিভিন্ন মহলে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয়। হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জামালপুর প্রেসক্লাবসহ সারা জেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা ধারাবাহিক আন্দোলন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে আসছেন।

সাংবাদিক মোস্তফা মনজুর দায়ের করা এ মামলার প্রধান আসামি পৌর কাউন্সিলর ও স্ট্যাম্পভেন্ডার হাসানুজ্জামান খান রুনুসহ নয় আসামি গত ৩০ মে আদালত থেকে জামিন নেন।

এরপর মামলার বাদীসহ জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলে গত ১ জুন ও ২ জুন বাদীসহ জেলায় কর্মরত ৪৮ সাংবাদিক জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে জামালপুর সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

এছাড়া গত রোববার মামলার বাদী আদালতে মামলাটির সকল আসামিদের জামিন বাতিলের আবেদন জানান। বাদীর আবেদন মঞ্জুর করে বিচারক সোলায়মান কবীর প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর চারদিনেও পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

আপনার মতামত জানান